October 29, 2026, 4:39 am
শিরোনাম :
প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো?

মাতারবাড়ি হয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে সমুদ্রপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা জাপানের

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ রাজ্যগুলোকে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে জাপান। মূলত আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক শিল্প কেন্দ্রে রূপান্তর করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে জাপানি কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং প্রকল্পটিকে একটি কার্যকর শিল্প মূল্যশৃঙ্খল বা ইনডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেইন হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জাপানি অর্থায়নে নির্মিতব্য এই গভীর সমুদ্রবন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোও সরাসরি সামুদ্রিক বাণিজ্যের সুবিধা পাবে। অতীতে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বন্দরকে কেন্দ্র করে কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে যেভাবে অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলা হয়েছিল, মাতারবাড়ীকে ঘিরে ঠিক সেই আদলেই একটি সফল আঞ্চলিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করতে চায় জাপান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরকে কেন্দ্র করে এই ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এই সফরে মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে জাপানি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মাতারবাড়ী প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব সরেজমিন এই এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন।

জাপানি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বড় জাহাজ ভিড়ানোর জন্য আর বিদেশি বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হবে না। যদিও এর আগে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু নির্মিত হলেও নানা বাস্তবতায় সেটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি, তবুও জাপানি কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তারা বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটলে পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হবে।