October 28, 2026, 6:30 am
শিরোনাম :
দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে এবং বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে বর্তমান প্রশাসন বিভিন্ন নীতিমালায় সংস্কার আনছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অনুকূল ও সহজ পরিবেশ তৈরি করতে সরকার সবসময় বদ্ধপরিকর। সম্প্রতি জাপানের রাজধানী টোকিওতে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সকালে আয়োজিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, জেবিআইসির অর্থায়নে পরিচালিত অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই। দেশের জ্বালানি খাত, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে জাপানি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দুই দেশের মধ্যকার এই অর্থনৈতিক সহযোগিতা আগামী দিনে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিধি বাড়াতে এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

আলোচনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশে জেবিআইসির একটি স্থায়ী কার্যালয় খোলার বিষয়ে বিস্তারিত কথা হয়। দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ব্যাপ্তি ও জাপানি বিনিয়োগের গুরুত্ব বিবেচনা করে ঢাকায় এই অফিস চালুর জন্য অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জবাবে জেবিআইসির গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকো এই প্রস্তাবটিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। জাপানি এই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বৈঠকের বিস্তারিত গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়, যার মধ্যে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এছাড়াও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক ও কর্মকর্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।