October 28, 2026, 8:57 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

বিটিএসের পর গ্র্যামি বর্জনের ঘোষণা স্ট্রে কিডসের

Reporter Name

কে-পপ সঙ্গীতের বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড স্ট্রে কিডস এক চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আসছে ২০২৭ সালের মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের জন্য তারা কোনো গান জমা না দেওয়ার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছে। ব্যান্ডটির এই সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে তাদের লাখো ভক্তের মধ্যে তীব্র আলোচনা ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে বিটিএসের মতো শীর্ষস্থানীয় কোরিয়ান ব্যান্ডগুলোর গ্র্যামি বয়কটের ইতিহাস থাকায় এই ঘোষণা নতুন করে কে-পপ শিল্পীদের সঙ্গে পশ্চিমা এই উৎসবের দূরত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে চলা পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং মনোনয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতেও দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক জনপ্রিয় শিল্পী ও ব্যান্ড বিশ্বমানের হওয়া সত্ত্বেও গ্র্যামির মূল ক্যাটাগরিগুলোতে অবমূল্যায়নের শিকার হয়েছেন। স্ট্রে কিডসের এই পদক্ষেপ মূলত পশ্চিমা প্রভাবশালী সংগীত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত নিয়মের প্রতি একটি নীরব প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

সংগীত ইন্ডাস্ট্রির একটি বড় অংশের মতে, গ্র্যামি কর্তৃপক্ষ বৈশ্বিক বাজার ধরতে কে-পপ তারকাদের পারফর্ম করার জন্য আমন্ত্রণ জানালেও মূল পুরস্কারের ক্ষেত্রে তাদের কোণঠাসা করে রাখে। এই অন্যায্য ব্যবস্থার কারণেই ব্যান্ডগুলো এখন সচেতনভাবে এই ধরনের বড় আয়োজন এড়িয়ে চলার পথ বেছে নিচ্ছে। স্ট্রে কিডসের মতো প্রভাবশালী একটি দলের এই বয়কট ভবিষ্যতে গ্র্যামি কর্তৃপক্ষের ওপর কে-পপ নির্মাতাদের মনোভাব পরিবর্তনে চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গ্র্যামি পুরস্কারের এই বিতর্কিত পরিস্থিতি এবং শীর্ষ কে-পপ ব্যান্ডগুলোর বয়কটের সংস্কৃতি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সংগীত বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। স্ট্রে কিডসের এই সিদ্ধান্তের পর অন্যান্য কোরিয়ান ও এশীয় শিল্পীরাও একই পথে হাঁটেন কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, এশীয় শিল্পীরা এখন আর কেবল পুরস্কারের পেছনে দৌড়াতে রাজি নন, বরং তারা নিজেদের শিল্পসত্তার যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মানের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন।