October 28, 2026, 1:48 pm
শিরোনাম :
নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির

ফিলিস্তিনের শিশুরা নিজেদের স্বপ্নের কথা জানাচ্ছে ছবি এঁকে

Reporter Name

অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যেও ফিলিস্তিনের খুদে শিশুরা নিজেদের মনের ভাষা প্রকাশ করছে তুলি ও রঙের মাধ্যমে। অবরুদ্ধ উপত্যকার কঠিন বাস্তবতার মাঝে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে এবং মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে তারা ঝুঁকেছে শিল্পচর্চার দিকে। ছবি আকার এই সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের সুন্দর দিনের স্বপ্ন দেখছে।

এই বিশেষ উদ্যোগটির পেছনে রয়েছেন শিল্পী সারা আবু মাদি, যিনি ২০২০ সালে শিশুদের জন্য এই শিল্পকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। আরবি শব্দ ‘রোমমানা’ বা ডালিমের নামানুসারে এই কেন্দ্রটির নামকরণ করা হয়েছে। যুদ্ধবিগ্রহ ও চারপাশের সহিংসতার অন্ধকার ভেদ করে শিশুদের মনে আশার আলো জ্বালানোর লক্ষ্য নিয়েই এই ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা হাতে নেওয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে সহিংসতা ও সংঘাতের মাত্রা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গোলাগুলি ও বোমাবর্ষণের শব্দে বড় হওয়া এসব কোমলমতি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব পড়েছে। এমন দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে এই শিল্পকেন্দ্রটি তাদের কাছে একটি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যেখানে তারা ভীতি ভুলে কিছুটা স্বস্তি খুঁজে পায়।

ক্যানভাসে রংতুলির আঁচড়ে এই শিশুরা ফুটিয়ে তুলছে তাদের অবদমিত ইচ্ছা, শান্তিপ্রিয় জীবন এবং সবুজ প্রকৃতির রূপ। ছবি আঁকার এই চর্চা কেবল তাদের বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের এক শক্তিশালী অভিব্যক্তি। শিল্পীর এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগে ফিলিস্তিনের নতুন প্রজন্ম তাদের ভেতরের কষ্ট ও আশার কথা পুরো পৃথিবীকে জানিয়ে দিচ্ছে।