October 29, 2026, 4:06 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, জ্যেষ্ঠতায় ওপরে থাকবেন ২০১২ সাল পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা অবশেষে নিরসন হয়েছে। এ সম্পর্কিত প্রায় ২৯ পৃষ্ঠার একটি পূর্ণাঙ্গ রায় সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সারা দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ আরও সুগম হলো। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষক সমাজের মাঝে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের মাধ্যমে দূর হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকাশিত রায় অনুযায়ী, ২০১২ সাল পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরাই জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে এগিয়ে থাকবেন এবং তাদের পদমর্যাদাও সুরক্ষিত থাকবে। আদালতের এই নির্দেশনার ফলে পদোন্নতি পাওয়া প্রধান শিক্ষক এবং সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠতা সংক্রান্ত বিরোধের অবসান ঘটল। বিচারপতির বেঞ্চ সব পক্ষের আইনি যুক্তি বিশ্লেষণ করে এই ভারসাম্যপূর্ণ রায় প্রদান করেছেন, যা উভয় পক্ষের জন্যই একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা খাতের প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রধান শিক্ষক পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘদিন ধরে আদালতের স্থগিতাদেশ ও আইনি মারপ্যাঁচে বহু বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পড়ে ছিল বা চলতি দায়িত্বে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ায় এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, আদালতের এই রায়ের ফলে প্রাথমিক শিক্ষা সেক্টরে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অসন্তোষ হ্রাস পাবে। জ্যেষ্ঠতা নিয়ে চলা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের ইতি টানার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও পঠনউপযোগী হবে। আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছিল, তা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা।