October 28, 2026, 7:38 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ১–২ লাখ টাকা গ্রাহকেরা পাচ্ছেন

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় টাকা তোলার সুযোগ পুনরায় চালু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই শাখা থেকে গ্রাহকেরা এখন তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত নগদ অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আর্থিক ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই শাখা থেকে গ্রাহকেরা বর্তমানে তাঁদের সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারছেন। অন্যদিকে, চলতি হিসাবের ক্ষেত্রে উত্তোলনের এই সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। ব্যাংকের তরফ থেকে নগদ অর্থের সরবরাহ ও তারল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেই মূলত এই সুনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ব্যাংকিং সেবা পুনরায় চালু হওয়ায় মহাখালী শাখার সামনে গ্রাহকদের উপস্থিতিও কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। হিসাবধারীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাংকে এসে নির্ধারিত সীমার মধ্যে নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সার্বিক লেনদেন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে তাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন সংকটের মাঝে ন্যাশনাল ব্যাংকের এই শাখা থেকে টাকা উত্তোলনের সুযোগ চালু হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করছেন, ধীরে ধীরে অন্যান্য শাখাতেও যদি স্বাভাবিক লেনদেন নিশ্চিত করা যায়, তবে পুরো ব্যাংকিং খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট কেটে যাবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।