October 28, 2026, 12:23 am
শিরোনাম :
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ে এমপিদের নিয়ে চিন্তায় বিএনপি ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট নিয়ে সুখবর দিল সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার নিন্দা নাহিদের

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তা করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, এই ন্যক্কারজনক অপচেষ্টা থেকে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সহিংসতা নির্ভর। ফ্যাসিবাদী চক্রের এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত অমানবিক ও দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের জনগণের কাছে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরও দলটির সন্ত্রাসী বাহিনীর মানসিকতা ও কর্মকাণ্ডে বিন্দুমাত্র ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ ও নৃশংসতার জন্য দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও এই চক্র তাদের ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সন্ত্রাসী এই নেটওয়ার্ককে কঠোর হাতে দমন করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির এই শীর্ষ নেতা বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা এবং ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সব গুম ও খুনের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও সন্ত্রাসের দায়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার জোর দাবি জানান তিনি।

বিবৃতির শেষ অংশে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সকল গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানানো হয়। দেশের চরম সংকটময় মুহূর্তে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে প্রধান উপদেষ্টার অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধাতকদের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারকে অবিলম্বে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।