October 28, 2026, 7:15 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

নাইজেরিয়ায় সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৩২ যাত্রীর মৃত্যু

Reporter Name

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় একটি সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির বেনিন সিটি থেকে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র লাগোসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বিমানটি ওন্দো রাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এই বিপাকে পড়ে। উড্ডয়নের পর নিয়মিত এই মিশনে থাকা বিমানটিতে ২৫ জন যাত্রী এবং ৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন, যার মধ্যে কারোরই বেঁচে থাকার কোনো সুযোগ ছিল না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির আকাশসীমায় ঘটে যাওয়া সবচেয়ে মারাত্মক এবং প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি নাইজেরিয়ান বিমানবাহিনীর এ টি আর-৪২ মডেলের একটি নিয়মিত ফ্লাইট ছিল। দেশটির বিমান চলাচলমন্ত্রী ফেস্টাস কেইয়ামো গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিনে সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে ভূগর্ভস্থ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বিমানটির কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না এবং পরবর্তীতে দেশটির উপকূলীয় শহর ইগবোকোদার কাছাকাছি এলাকায় বিমানটির ক্ষতিগ্রস্ত ও বিক্ষিপ্ত ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে।

এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলো টিনুবু এবং তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। দেশটির বিমানবাহিনীর প্রধান ইতিমধ্যে তাকে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেছেন। এই ধরনের বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে এবং এর আসল রহস্য উদঘাটন করতে প্রেসিডেন্ট বিমানবাহিনীকে অতি দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত হওয়ার পরপরই দুর্গম ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধার ও অনুসন্ধানকারী দল পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের মরদেহ উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। নাইজেরিয়ার মতো দেশে সামরিক বিমানের এ ধরনের বড় দুর্ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে এবং পুরো দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।