October 29, 2026, 3:58 am
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সম্প্রতি পরিচালিত একটি জাতীয় জরিপের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের দরিদ্র পরিবারের শিশুদের তুলনায় ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। এই গবেষণার ফলাফল আমাদের প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে, যেখানে সাধারণত নিম্নবিত্ত শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি বলে মনে করা হতো।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সিসা পাওয়ার হার তুলনামূলকভাবে প্রায় ২১ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং পরিবেশগত নানা উপাদানের কারণে সিসার এই দূষণ ঘটে থাকতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে সিসার উৎসগুলো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিশুর রক্তে সিসার উপস্থিতি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে চিকিৎসকরা বারবার সতর্ক করে আসছেন। উচ্চমাত্রার সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি তাদের বুদ্ধিমত্তা ও শিখনক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই ধনী কিংবা দরিদ্র নির্বিশেষে সকল স্তরের শিশুর সুরক্ষায় সিসা দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে। ভবিষ্যতে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবেশের দূষণ রোধ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিকল্প নেই।