October 28, 2026, 7:15 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠনের সাবেক এক নেতাকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আদালতের রায়ে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় বিচার অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কঠোর তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, যিনি অতীতে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি আলোচিত সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্ত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের সন্তান। পিতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর সিয়ামের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে প্রমাণিত হয়।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আসার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ একে একে ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পান এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক নির্ধারিত দিনে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় পাঠ করেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের কঠোর অবস্থানের আরও একটি বার্তা দিল সংশ্লিষ্ট আদালত।