October 28, 2026, 7:14 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি রয়েছে। দেশের সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাঝেও এই প্রাচীন ব্যাধি এখনো বড় একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অঞ্চলের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের দেশে কম বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা সর্বাধিক।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় দেশে অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশুদের বিয়ের হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক আন্দোলন এই হার কমাতে কিছুটা হলেও ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তবে হারের দিক থেকে সামান্য উন্নতি হলেও সামগ্রিক চিত্রের তেমন বড় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনো এই নির্মম সামাজিক প্রথার শিকার। বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক চার কোটি ১৬ লাখ বাল্যবধূ রয়েছে, যা নারী সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এক বিশাল অন্তরায়। বিপুল সংখ্যক এই বাল্যবধূর উপস্থিতি দেশের জনমিতি ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বাল্যবিবাহের মতো এই গুরুতর সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য শুধু আইন প্রয়োগ করলেই চলবে না, বরং এর মূল কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। গ্রামীণ জনপদে দারিদ্র্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষার অভাব দূর করতে না পারলে এই সংকট থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সংশ্লিষ্ট মহলের জোরালো পদক্ষেপে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।