October 28, 2026, 8:58 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

কাদের মির্জা, স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এই মামলাগুলো রেকর্ড করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের কাছে মামলার অনুলিপি হস্তান্তর করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নিজ নামে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তাঁর গৃহিণী স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের নামে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার এবং তাঁদের ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে প্রায় ৮২ লাখ টাকার অপ্রদর্শিত সম্পদের সন্ধান মিলেছে। এছাড়া ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করার অপরাধে দায়ের করা মামলায় কাদের মির্জাকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, ১৯৯৯ থেকে ২০০১ এবং পরবর্তীতে ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় বসুরহাট পৌরসভার মেয়রের দায়িত্বে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব সম্পদ গড়ে তোলেন কাদের মির্জা। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রীর কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা পাওয়া গেছে। দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পান।

কমিশনের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা চিন্ময় চক্রবর্তী। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্তকালে যদি অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলে, তবে তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।