October 28, 2026, 6:16 am
শিরোনাম :
দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’

এআই–নির্ভর প্রেম–ভালোবাসার সম্পর্কের ওপর চীনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির যুগে মানুষের সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভার্চুয়াল সম্পর্ক নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিনয় এক পদক্ষেপ নিয়েছে চীন সরকার। সম্প্রতি দেশটির নীতিনির্ধারকরা এআই প্রযুক্তির ওপর বেশ কিছু নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন, যা মূলত মানুষের সাথে গভীর আবেগীয় সম্পর্ক গড়ে তোলে এমন অ্যালগরিদমগুলোকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালার আওতায় এমন সব চ্যাটবট বা এআই চালিত মডেল নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী এবং আবেগঘন কথোপকথন চালাতে সক্ষম। বিশেষ করে রোমান্টিক সম্পর্ক বা কৃত্রিম ভালোবাসার অনুভূতি তৈরি করে—এমন সফটওয়্যারগুলোর কার্যকারিতা কঠোরভাবে সীমিত করা হচ্ছে। চীনা কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের প্রযুক্তি মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আধুনিক এআই চ্যাটবটগুলো ব্যবহারকারীদের একাকিত্ব দূর করার পাশাপাশি অনেক সময় তাদের ওপর মানসিক নির্ভরতা বাড়িয়ে দেয়। চীনের সাইবার স্পেস নিয়ন্ত্রক সংস্থা মনে করে, এই ধরনের কৃত্রিম আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বাস্তব সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তুলতে পারে। আর তাই জনস্বার্থ ও নৈতিকতা বজায় রাখতে এই কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ফলে চীনের বাজারে যেসব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআই নিয়ে কাজ করছে, তাদের ব্যবসায়িক মডেলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে এখন থেকে বিনোদন বা সাধারণ সহায়ক প্রকৃতির চ্যাটবট তৈরির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কড়াকড়ি এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আইনি জটিলতার পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে পারে এসব প্রতিষ্ঠান।