October 28, 2026, 1:46 pm
শিরোনাম :
নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির

আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ

Reporter Name

প্রযুক্তি ডেস্ক: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় আর্কাইভস ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ভবনটির ছাদ ব্যবহার করে প্রায় ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব বিদ্যুতের একটি বড় চাহিদা নিজেরাই মেটাতে সক্ষম হবে।

এই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজটি বাস্তবায়নের জন্য সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট তিন পক্ষের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি বা ডেসকো, বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর এবং প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোম। এই চুক্তির আওতায় আধুনিক প্রযুক্তির সোলার সিস্টেম স্থাপন ও তার রক্ষণাবেক্ষণের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।

প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে জাতীয় আর্কাইভসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে। পাশাপাশি, জাতীয় গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশজুড়ে সরকারি স্থাপনাগুলোতে সবুজ জ্বালানি বা সোলার এনার্জি ব্যবহারের যে ধারা তৈরি হয়েছে, এই উদ্যোগ সেই প্রচেষ্টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প কার্যকর অবদান রাখবে। চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের সমস্ত কাজ শেষ হবে এবং অচিরেই এখান থেকে বাণিজ্যিক কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া শুরু হবে।